![]() |
প্রতীক ছবি |
ধূমপান করে অন্যকে কষ্ট দিতে পারে না কোনো মুমিন। রাসূল সা. বলেছেন, কেউ অপরের ক্ষতি করলে আল্লাহ তার ক্ষতিসাধন করবেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬৩৫)।
আর মুখ দুর্গন্ধযুক্ত হলে ধূমপানের কারণে,মাকরুহে তাহরীমী এ অবস্থায় নামাজে দাঁড়ানো। বরং মসজিদে প্রবেশ করাও মাকরুহ এ অবস্থায়।
মাকরুহ হলেও স্বাভাবিক অবস্থায় ধূমপান করা,ধূমপান করা যাবে না রোজা রেখে। এতে করে ভেঙে যাবে রোজা। একইসঙ্গে ইফতার ও সেহরির পর ধূমপান থেকে বিরত থাকা জরুরি রোজার মাসে।
কারণ, যাবতীয় গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি রোজা অবস্থায়। অন্যথায় আল্লাহর থেকে পাওয়া যাবে না, রোজার কোনো সওয়াব।
মনে রাখতে হবে রোজা একজন ব্যক্তির উপর বিভিন্ন আচরণগত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। পরনিন্দা,পরচর্চা,মিথ্যা কথা বলা,প্রতারণা করা,ধোঁকা দেওয়া,অশ্লীলতা,হিংসা-বিদ্বেষ এমনিতেই নিষিদ্ধ এসব কর্মকাণ্ড। আবার এগুলো পরিহার করা বেশি জরুরি রোজা পালনকালে।
হাদিস শরিফে এসেছে, রাসূল সা. ইরশাদ করেন,
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَيْسَ للهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ
‘যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৯০৩)
কাজেই তাকওয়ার পরিচায়ক হল, সিগারেট খাওয়া থেকেও বিরত থাকবে রোজাদার। যেন আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার অধিক নিকটবর্তী হয় তার রোজা। তবে রোযার ফরজিয়্যাত আদায় হয়ে যাবে সিগারেট খেলেও।